Hawkerbd.com     SINCE
 
 
 
 
কালিজিরার গুণ [ যাপিত সময় ] 14/01/2018
কালিজিরার গুণ
কালিজিরা (Nigella sativa L), Ranunculaceae পরিবারভুক্ত বর্ষজীবী বীরুৎ জাতীয় মাঝারি আকৃতির মৌসুমি উদ্ভিদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি অপ্রধান মসলা ফসল হিসেবে পরিচিত। ব্যবহার ও উৎপাদনের দিক থেকে গৌণ হলেও এ দেশের রসনাবিলাসীদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ মসলা। কালিজিরা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, মিসর, ইরাক, সিরিয়া, ইরান, জাপান, চীন, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশে চাষাবাদ হয়ে থাকে। সারা বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৩ লাখ টন কালিজিরা উৎপন্ন হয়। এটি আয়ুর্বেদীয়, ইউনানি, কবিরাজি ও লোকজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ওষুধ, প্রসাধনী ও কনফেকশনারি শিল্প, রন্ধনশালা ছাড়াও বিভিন্ন পানীয় দ্রব্য রুচিকর ও সুগন্ধি করতে এটি ব্যবহার করা হয়।
পুষ্টিগুণ : প্রধান পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আমিষ ২১ শতাংশ, শর্করা ৩৮ শতাংশ, স্নেহ বা ভেষজ তেল ও চর্বি ৩৫ শতাংশ। এ ছাড়া ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ আছে। প্রতিগ্রাম কালিজিরায় পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ প্রোটিন ২০৮, ভিটামিন-বি১ ১৫, নিয়াসিন ৫৭, ক্যালসিয়াম ১.৮৫, আয়রন ১০৫, কপার ১৮, জিংক ৬০ মাইক্রোগ্রাম; ফসফরাস ৫.২৬ মিলিগ্রাম এবং অন্যান্য উপাদানের মধ্যে আরও রয়েছে নাইজেলোন, থাইমোকিনোন ও উদ্বায়ী তেল। এ ছাড়া কালিজিরা তেলে রয়েছে লিনোলেনিক (ওমেগা-৩), লিনোলিক (ওমেগা-৬) ও অলিক অ্যাসিড (ওমেগা-৯), ফসফেট, ফসফরাস, কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি ইত্যাদি। কালিজিরা ফুলের মধু উৎকৃষ্ট মধু হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
ঔষধিগুণ : খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর থেকে কালোজিরা মসলা ও ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ক্যানন অব মেডিসিন’-এ ‘কালিজিরা দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে’ উল্লেখ করেছেন। জ্বর, সর্দি, কাশি, কফ, অরুচি, উদরাময়, শরীর, গলা, দাঁত, বাত, পেট ও মাথাব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, মাইগ্রেন নিরাময়ে উপকারী বন্ধু হিসেবে কাজ করে এটি। পেটফাঁপা, চামড়ার ফুসকড়ি, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যালার্জি, অ্যাকজিমা, অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগ; ডায়রিয়া, আমাশয়, গ্যাস্টিক আলসার, জন্ডিস, খোসপাঁচড়া, ছুলি বা শ্বেতি, অর্শরোগ, দাদে কালোজিরা অব্যর্থ ওষুধ হিসেবে কাজ করে। ক্যানসার প্রতিরোধক, বহুমূত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে ইনসুলিন সমন্বয় ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয়ে বিটা কোষের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। হার্টের বিভিন্ন সমস্যা, হাইপারটেনশন, নিম্নরক্তচাপ বাড়ায় আর উচ্চ রক্তচাপ কমায়। হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে রক্তের স্বাভাবিকতা রক্ষা করে।
News Source
 
 
 
 
Today's Other News
• হেলথ টিপস : পেশীবহুল শরীরে রোগবালাই হয় না
More
Related Stories
 
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
Forward to Friend Print Close Add to Archive Personal Archive  
 
 
Home / About Us / Benifits / Invite a Friend / Policy
Copyright © Hawker 2013-2012, Allright Reserved
free counters